শনিবার ১৯ জুন ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
পরিচয়
স্বাস্থ্য

অনুমোদনহীন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা: ঢাকাসহ সারাদেশে অনুমোদনহীন বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি জানান, প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া পর অনুমোদনবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) জি এম সিরাজের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

জি এম সিরাজের আরও এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনা দূর করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের আলোকে দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ শৃঙ্খলামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাব চাওয়া হয়েছে। জবাব পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকজন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে ওএসডি করা হয়েছে। এছাড়া সরকারিভাবে বিভিন্ন নির্দেশনার ভিত্তিতে শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

এমপি সিরাজের আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দ্রুত সময়ে করোনা পরীক্ষার পদ্ধতি আনার প্রক্রিয়া চললে। সরকার করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো ও এ সংক্রান্ত জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে পিসিআর পরীক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য আধুনিক ও দ্রুত সময়ে পরীক্ষার পদ্ধতি দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রমণের হার কম হওয়ার কারণে দেশের মানুষের বেশি বেশি পরীক্ষা করতে চাচ্ছে না। এ কারণে দেশে সর্বোচ্চ সক্ষমতার চেয়েও দৈনিক কম সংখ্যক নমুনা সংগ্রহীত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও যুগোপযোগী নেতৃত্বে বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের মতো বাংলাদেশ করোনা মহামারিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে সংক্রমণ শুরুর কয়েকমাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ১১৫টি পিসিআর ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এসব ল্যাবে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ হাজার পিসিআর পরীক্ষা করা সম্ভব। প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়ানো যেতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৩ থেকে ১৫ হাজার পরীক্ষা সম্পন্ন হচ্ছে। করোনা পরীক্ষার হার দৈনিক চাহিদার ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে দেশে উপসর্গ ও উপসর্গহীন যে কোনো নাগরিক ও দেশে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকরা চাহিদা অনুযায়ী করোনা পরীক্ষা করতে পারেন।  পরীক্ষার হার বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার সব রকমের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

সোস্যাল শেয়ার :

Related posts

মন্তব্য করুন

Share
Share